29.8 C
Dhaka
Wednesday, October 21, 2026
Homeআন্তর্জাতিকদ. কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু'র ২৩ বছর কারাদণ্ড

দ. কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’র ২৩ বছর কারাদণ্ড

Date:

Related stories

‘একটি শক্তি বিদেশি গোলামি করে বিভ্রান্তিমূলক রাজনীতি করছে’

একটি শক্তি বিদেশিদের গোলামি করে বিভ্রান্তিমূলক রাজনীতি করছে বলে...

‘যেটা হয়েছে, ক্রিকেটের জন্য ভালো না’

সিরিজ শুরুর আগের দিন দল নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভে ফেটে...

অবশেষে জামিন পেলেন সকিনা

ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে পুশ করা ৬৮ বছর বয়সী...

বাতাসে ঘুরবে গাড়ি, বাজারে আনছে ইলন মাস্কের টেসলা

দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন রোডস্টার গাড়ি সামনে এনেছে বৈদ্যুতিক...

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

জাতীয় সংসদে আজ মঙ্গলবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ...

সামরিক আইন জারিতে ভূমিকার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত। 

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলের সামরিক আইন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ৭৬ বছর বয়সী হান সামরিক আইন সংক্রান্ত ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত প্রথম সাবেক মন্ত্রী। 

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের রায়ে বলা হয়, সামরিক আইন জারির পথ সুগম করতে যে মন্ত্রিসভা বৈঠকের কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল, সেখানে হান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিচারক এই ঘটনাকে ‘উপর থেকে পরিচালিত বিদ্রোহ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। 

আদালত আরও বলেন, বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টসহ প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম অচল করার পরিকল্পনাও আলোচনায় ছিল।

রায়ে বলা হয়, আসামি একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যার গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্বও ছিলো। তা সত্ত্বেও তিনি নীরব থেকে ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহের একজন অংশগ্রহণকারী হন।

আদালত হানকে ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ’, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান এবং সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। 

রায়ের পর হান বলেন, ‘আমি বিনয়ের সঙ্গে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি।’

মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগ ছাড়া বাকি সব অভিযোগ তিনি বরাবরই অস্বীকার করে আসছিলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিচারিক ইতিহাসে বিরল এই ঘটনায় আদালত রাষ্ট্রপক্ষের চাওয়া ১৫ বছরের সাজাকেও ছাড়িয়ে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায়ের পরপরই আদালতের নির্দেশে হানকে আটক করা হয়। 

তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হান ডাক-সু ছিলেন একজন অভিজ্ঞ টেকনোক্র্যাট। যিনি পাঁচজন প্রেসিডেন্টের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ইউন সুক ইয়োল অভিশংসিত হওয়ার পর তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। পরে সামরিক আইন জারিতে ভূমিকার অভিযোগে তিনিও অভিশংসিত হন।

ইউন সুক ইয়োলের বিরুদ্ধেও সামরিক আইন জারি সংক্রান্ত আরও মামলা চলছে। 

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ—তিনি ‘বিদ্রোহের মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি এই মামলার রায় দেওয়ার কথা রয়েছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, ওই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৯৯৭ সালের পর আর কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

Latest stories