28.6 C
Dhaka
Tuesday, October 27, 2026
Homeবাণিজ্যআইএমএফের নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনা শুরু কাল, পরিমাণ জানা যাবে জানুয়ারিতে

আইএমএফের নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনা শুরু কাল, পরিমাণ জানা যাবে জানুয়ারিতে

Date:

Related stories

দেশ মাতিয়ে এবার অস্ট্রেলিয়ায় মুক্তি পাচ্ছে ‘দম’

ঈদুল ফিতরে দেশে মুক্তির পর মাল্টিপ্লেক্সে ভালো চলছে রেদওয়ান...

আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি দমনই অগ্রাধিকার: তারেক রহমান

আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত ও দুর্নীতি দমন করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার...

ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদে’ সৌদি আরব-তুরস্কসহ ৭ দেশ

সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরসহ সাতটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট...

শুধু কি নিন্দার কাঁটাই জুটবে বিপিএলের?

কেমন হলো বিপিএলের খেলোয়াড় নিলাম? নিলাম শেষে কেমন হলো...

কুমিল্লায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ডাকাতির সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে...

নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনায় বসবে।

এ আলোচনার উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং এ পর্যন্ত সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি আগামী জানুয়ারি থেকে শুরু করতে পারে আইএমএফ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, আগে আইএমএফের ঋণ বা কিস্তি পর্যালোচনায় মিশনগুলো অন্তত ১৫ দিন ধরে আলোচনা করত, সেখানে এবারের মিশনটি তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত হচ্ছে। সর্বোচ্চ ৫ দিন এই আলোচনা চলবে।

অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে নতুন এই ঋণ কর্মসূচির প্রাথমিক আলোচনা শুরু হবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন ওই কর্মকর্তা।

এরপর আইএমএফ মিশন বাংলাদেশ সফর করবে। মূল সংস্কার কর্মসূচি ও ঋণের পরিমাণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে অক্টোবরের শেষভাগে বা নভেম্বরের দিকে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে নতুন ঋণ প্রস্তাব আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুমোদনের জন্য আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডে উত্থাপন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা গত ৯ জুলাই ডেইলি স্টারকে জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটকেও আইএমএফের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইএমএফের চাওয়া ছিল, কর ও জিডিপির অনুপাত ৯ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা এবং বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ শতাংশের নিচে রাখা।

এর আগে, জাতীয় বাজেটে ঘাটতি ৫ শতাংশ পর্যন্ত রাখার সুযোগ দেওয়া হতো, যদিও বাস্তবায়নের সময় তা সাধারণত ৪ শতাংশের নিচেই থাকত।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগের ঋণ কর্মসূচির অসমাপ্ত সংস্কারগুলোর সঙ্গে নতুন সরকারের অগ্রাধিকারমূলক নীতিমালার সমন্বয় করে নতুন ঋণ কর্মসূচি সাজানো হতে পারে।

গত মাসে এক বিবৃতিতে ইভো ক্রজনার বলেন, ‘যেকোনো নতুন চুক্তি হতে হবে বাংলাদেশের ব্যালেন্স অব পেমেন্ট (লেনদেনের ভারসাম্য) সংক্রান্ত প্রয়োজন এবং নির্ভরযোগ্য সংস্কার এজেন্ডার ওপর ভিত্তি করে, শক্তিশালী নীতিগত অঙ্গীকারের আলোকে।’

‘ঋণ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে আইএমএফের নীতিমালা ও নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদনের ওপর। পরবর্তী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে আইএমএফ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সরকার ও তাদের সংস্কার এজেন্ডা এবং নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করছেন,’ বলেন তিনি।

আসন্ন সফর বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও সংস্কারের চ্যালেঞ্জগুলো খতিয়ে দেখার সুযোগ করে দেবে বলে মনে করেন তিনি।

চলতি বছরের ২১ মে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকের পর নতুন ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি সামনে আসে।

পরে ২৫ মে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার ও আইএমএফ নতুন করে ৩ বছর মেয়াদি একটি ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে একমত হয়েছে।

Latest stories