31 C
Dhaka
Saturday, April 18, 2026
Homeখেলাআমাদের মাথায় শুধু ফুটবল: ঢাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট ভারত

আমাদের মাথায় শুধু ফুটবল: ঢাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট ভারত

Date:

Related stories

বাংলাদেশি বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো মারা গেছেন

বাংলাদেশি বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু শাসনশোভন মহাসদ্ধর্মজ্যোতিকাধ্বজ সংঘরাজ ড....

সাংবাদিকের বয়ানে মুজিবনগর সরকারের শপথ

একটি অনুষ্ঠান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, কঠোর গোপনীয়তা। রোমাঞ্চকর উত্তেজনা...

চট্টগ্রাম বন্দর সচল আছে: বন্দর চেয়ারম্যান

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান...

এত সুর আর এত গান: সুধীন দাশগুপ্তের বৈচিত্র্যময় সংগীতযাত্রা

সুধীন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত—এই নামটি বললে হয়তো অনেকেই চিনবেন না। কিন্তু...

আরব বসন্ত: মধ্যপ্রাচ্যের শাসকরা এখনো আতঙ্কে কেন?

ডিসেম্বর ১৭, ২০১০। স্থান: সিদি বোজিদ। উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্যসাগর-ঘেঁষা...

রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকায় পা রাখতেই ভারতীয় ফুটবলাররা পেয়েছেন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। আর সেটিই আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের। চারপাশে বাড়তি সতর্কতা থাকলেও দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রা জানিয়ে দিলেন, নিরাপত্তা নিয়ে তাদের কোনো চিন্তা নেই; এখন তাদের মাথায় শুধু ফুটবল ও ম্যাচের প্রস্তুতি।

শনিবার সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলতে আসা ভারতীয় দলকে ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তাবলয়। বাফুফে ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে দলকে বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত পুলিশ এসকর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। দেশে আইসিটি-১ মামলার রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার থাকায় ভারতীয় দলকে দেওয়া হয়েছে আরও বাড়তি সুরক্ষা, যাকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে ‘ফুলপ্রুফ’। এ কারণে এখনো স্থানীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের কথা বলা হয়নি।

তবু দলের সিনিয়র গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধু জানালেন, ঢাকায় পা রাখার পর থেকেই তারা নিরাপদ অনুভব করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে আসার আগে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতাম। অবশ্যই এটি আদর্শ পরিবেশ নয়। কিন্তু আমরা এখানে এসেছি ফুটবল খেলতে, আমাদের মাথায় শুধু সেটাই। গতকাল আসার পর থেকেই আমরা নিজেকে অসুরক্ষিত মনে করিনি। সবকিছুই খুব সুন্দরভাবে আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের এখন শুধু মাঠের খেলায় মনোযোগ দিতে হবে।’

তার সঙ্গে একমত অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গানও। ঢাকায় আগমনের পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আতিথেয়তার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এখানে আসার পর থেকেই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। সবাই খুব সহায়তা করছেন। আমরা আসার আগে সংক্ষিপ্তভাবে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। তবু ভারতীয় হাইকমিশন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস আছে। খেলোয়াড় হিসেবে আমরা মাঠে সেরাটা দেওয়ার ওপরই মনোযোগ দিচ্ছি। খেলা মানুষকে এক করে, আশা করি এই ম্যাচও ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করবে। এখন পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল।’

ঢাকায় খেলার অভিজ্ঞতা আগেও আছে দুই জনেরই। ঝিঙ্গান খেলেছেন ২০১৫ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ বাছাইয়ে, আর সান্ধু ও ঝিঙ্গান দুজনই ২০১৭ সালে আবাহনীর বিপক্ষে বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে নেমেছিলেন মাঠে। সান্ধুর মতে, ঢাকায় খেলা সহজ কিছু নয়।

তিনি বলেন, ‘এখানের অভিজ্ঞতা সবসময় শিখিয়ে দেয়। প্রতিযোগিতার দিক থেকে কঠিন জায়গা এটি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আমাদের বিপক্ষে ভালো করতে চায়, কঠিন প্রতিপক্ষ হতে চায়, জাতীয় দল হোক বা ক্লাব ফুটবল, অভিজ্ঞতা সবসময় এমনই ছিল। তবে এটা অনেক আগের কথা। বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নত করেছে, বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। ফুটবলের প্রতি তাদের ভালোবাসা বেড়েছে, জাতীয় দলও উন্নতি করছে।’

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি আগামী মঙ্গলবার রাত ৮টায় ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

Latest stories