28.2 C
Dhaka
Saturday, July 18, 2026
Homeরাজনীতিএনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগ

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগ

Date:

Related stories

বাংলাদেশ ফুটবল লিগের স্পন্সর হওয়ার দাবি নাকচ করল পেট্রোনাস

বাংলাদেশ ফুটবল লিগের (বিএফএল) টাইটেল স্পন্সর হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল...

হাসিনা-আসাদুজ্জামানকে দেশে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চাইবে প্রসিকিউশন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান...

ঢাকার জলাবদ্ধতা: প্রযুক্তি যেভাবে বদলে দিতে পারে পরিস্থিতি

প্রতি বছর বর্ষা এলে ঢাকা শহরটা বিশাল নদীতে পরিণত...

১ বছরের মধ্যে চালু হবে ৫০টি বস্ত্র ও পাটকল: বাণিজ্যমন্ত্রী

  দেশের ৫০টি বন্ধ পাট ও বস্ত্রকল আগামী এক বছরের...

রটারড্যামে ‘বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড’ জিতলো বাংলাদেশি সিনেমা মাস্টার

ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারড্যামের ৫৫তম আসরে মর্যাদাপূর্ণ বিগ স্ক্রিন...

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘পদত্যাগের আগে দলের আহ্বায়কের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আলোচনা করেছি। আলোচনার পরে তাকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছি এবং পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। আপাতত রাজনীতি নিয়ে ভাবছি না। নিজের জায়গা থেকে দেশের রাজনীতির গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো।’

পদত্যাগপত্রে মুশফিক বলেছেন, সম্প্রতি আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই। এই বিষয়ে আমার আপত্তি কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় নোট অব ডিসেন্ট আকারে এবং পরবর্তীতে আরও অনেকের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে জানিয়েছিলাম। সেই অবস্থানে আমি আজও অটল আছি। আমার বিবেচনায়, এনসিপির ওই জোটে যোগদান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক রাষ্ট্র নির্মাণের রাজনৈতিক লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

‘স্বল্পমেয়াদে ভোটের রাজনীতিতে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে একটি মধ্যপন্থী, শক্তিশালী, আত্মনির্ভরশীল ও বাংলাদেশপন্থী দল হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। একইসঙ্গে এটিও স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, আমি বরাবরই এককভাবে অথবা সংস্কারকেন্দ্রিক রাজনীতি করা অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে মিলে তৃতীয় জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পক্ষপাতী ছিলাম এবং সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন সভায় ধারাবাহিকভাবে সেই অবস্থান ব্যক্ত করেছি।’

তিনি আরও বলেন, এনসিপির এই জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর গত কয়েকদিন আমি দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির সম্ভাব্য গতিপথ ও নিজের করণীয় সম্পর্কে গভীরভাবে ভেবেছি। দলে থেকে প্রতিষ্ঠাকালে ঘোষিত লক্ষ্য ও আদর্শের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে দলকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অন্তঃদলীয় রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আমি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছি। তবে দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা, নতুন জোটসঙ্গীদের রাজনীতির ধরন এবং তাদের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাব্য পরিণতি বিবেচনায় নিয়ে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, জাতীয় নাগরিক পার্টির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ ভিন্ন পথে পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। দলের এই সিদ্ধান্তে যে সদস্যদের সমর্থন রয়েছে, তাদের অবস্থানের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু এই বাস্তবতায় দলের পদে থেকে দায়িত্ব পালন করা আমার নৈতিক বিশ্বাস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে আর সংগতিপূর্ণ মনে করছি না।

‘উপর্যুক্ত কারণ বিবেচনায় আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছি।’

Latest stories