26.8 C
Dhaka
Wednesday, October 14, 2026
Homeখেলা'চীনকে ধরাও অসম্ভব ছিল না'

‘চীনকে ধরাও অসম্ভব ছিল না’

Date:

Related stories

দেশের সব সংস্কার আইনের মাধ্যমেই হয়েছে: আইন উপদেষ্টা

বাংলাদেশের সব পরিবর্তন বা সংস্কার আইনের মাধ্যমেই হয়েছে বলে...

২.৩ বিলিয়ন ডলারে বাংলাদেশি-আমেরিকান নিহাদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপ কিনছে উবার

যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ ‘ইজিকেটার’ ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে কিনে...

২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে এসেছে রেকর্ড ৩৫.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন...

কলকাতার ‘আজাদি’ সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরী

দুই বাংলার সাড়া জাগানো অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী কলকাতার একটি...

সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা চলছে

সিলেট নগরের আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভা...

চীনে স্বপ্নভঙ্গের পর ভারাক্রান্ত মন নিয়ে গতকাল দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ওঠার স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত পূরণ হয়নি। বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী চীনের কাছে ৪-০ গোলের হার তাদের অভিযানের ইতি টেনে দেয় রোববারই।

টানা ১০ আসর ধরে মূলপর্বে উঠতে না পারা দলটির শেষ সাফল্য ছিল ২০০৬ সালে। প্রায় ১৯ বছর পর নতুন আশার সঞ্চার হয়েছিল। বিস্তৃত প্রস্তুতি, বেশ কিছু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স যেন প্রমাণ দিচ্ছিল আরও দূর যাওয়ার সক্ষমতার। তিমোর-লেস্তে, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা ও বাহরাইনকে হারিয়ে দাপুটে শুরু করেছিল বাংলাদেশ, কিন্তু সিদ্ধান্তমূলক ম্যাচে চীনের বিপক্ষে আর পারল না।

হতাশা সত্ত্বেও দলনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল পুরো অভিযানে ইতিবাচক দিকও দেখছেন। তবে চীনের বিপক্ষে প্রথম দু’টি গোল হজম করা তাকে বিস্মিত করেছে বলেও স্বীকার করলেন তিনি। ‘ফল নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট নই, কিন্তু স্বীকার করতেই হবে ফিটনেস, শারীরিক সক্ষমতা আর দক্ষতায় চীন আমাদের চেয়ে এগিয়ে ছিল। তবুও ওদের ধরা অসম্ভব ছিল না,’ ফোনে ডেইলি স্টারকে বলেন ফয়সাল।

তিনি জানান, বেশিরভাগ গোল এসেছে নিজেদের ভুল থেকে, বিশেষ করে প্রথম দুটি, যা ছিল অপ্রত্যাশিত। পাঁচ ম্যাচে পাঁচ গোল করা এই ফরোয়ার্ড বলেন, শুরুর ধাক্কায় দল পিছিয়ে পড়ে এবং আর ফিরে আসা সম্ভব হয়নি।

চীনের সঙ্গে ব্যবধানের প্রসঙ্গে ফয়সাল তুলে ধরলেন বাংলাদেশের ফুটবল কাঠামোর ঘাটতিগুলো।

‘চীনের অনূর্ধ্ব-১৭ দল গত দুই বছর ধরে একসঙ্গে খেলছে। ওদের ৩০০-৪০০টা ভেন্যু আছে আমাদের খেলা স্টেডিয়ামের মতো। আমাদের দেশে তো গ্রামে-গঞ্জে ঠিকমতো মাঠই নেই, স্টেডিয়াম তো অনেক দূরের কথা। এভাবে ফুটবলার তৈরি হবে কীভাবে?’

তবু হতাশার মাঝেও আশার আলো দেখছেন তিনি। জাতীয় দলের খেলোয়াড় উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার যাহেদী জানান, এই দলটিকে একসঙ্গে রেখেই নতুন করে দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প শুরু হবে। গতকাল বাফুফে ভবনে ছোট্ট এক সংবর্ধনাও দেওয়া হয়েছে দলকে।

ফয়সাল মনে করিয়ে দিলেন দেশের ফুটবলে সাম্প্রতিক কিছু অগ্রগতির কথা। ২২ বছর পর সিনিয়র দল ভারতের বিপক্ষে জয়, ইতিহাসে প্রথমবার অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বাহরাইনকে হারানো, এবং সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ ফাইনালে টাইব্রেকারে অল্পের জন্য হার।

তবুও তার মনে আক্ষেপ রয়ে গেছে। এ বছর অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯, দুই দলকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। আশা ছিল অন্তত একটি শিরোপা এনে দেবেন বা এএফসি মূলপর্বে তোলার সাফল্য দেখাবেন। ‘সাফে ট্রফি আনতে পারিনি, এএফসির মূলপর্বেও নিতে পারলাম না। সবার মতো আমারও এটা বড় দুঃখ হয়ে রইল,’ জানালেন ফয়সাল।

Latest stories