31 C
Dhaka
Monday, April 6, 2026
Homeবাণিজ্যতিন বছরে দ্বিগুণ হয়েছে বিদেশি ঋণ

তিন বছরে দ্বিগুণ হয়েছে বিদেশি ঋণ

Date:

Related stories

তেজগাঁওয়ে থেমে থাকা ট্রেনের বগিতে আগুন, আটক ২

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে থেমে থাকা একটি ট্রেনের বগিতে আগুন দিয়েছে...

পড়ার ঘরের যে বৈঠক থেকে এসেছিল যুদ্ধের মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নানা স্তরের কৃতিত্ব নিয়ে বিস্তর রেষারেষি...

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম ইপিএ সই, ৭ হাজারের বেশি পণ্য রপ্তানিতে মিলবে শুল্কমুক্ত সুবিধা

বাংলাদেশ ও জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষর...

সোনালি দিনের নায়িকা সুমিতা দেবী

ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে অনন্য নাম সুমিতা দেবী। সোনালি দিনের...

আরেক দুর্নীতির মামলায় ইমরান খান ও বুশরা বিবির ১৭ বছরের কারাদণ্ড

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা...

কোভিড–পরবর্তী সময়ে বাজেটের জন্য অর্থ সংস্থান এবং টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়নের কারণে মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের মোট বিদেশি ঋণ ৯২ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালের জুন মাসে এই ঋণের পরিমাণ ছিল এর প্রায় অর্ধেক।

রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা এবং বাজেট ঘাটতি বাড়ায় সরকার প্রকল্প ঋণের চেয়ে বাজেট সহায়তা ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, কারণ এই ঋণ দ্রুত পাওয়া যায়। ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ ৯ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পেয়েছে, যার মধ্যে শুধু গত অর্থবছরেই এসেছে ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেট সহায়তা ঋণ আগের বছরের তুলনায় ৬৯ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে প্রকল্প ঋণ কমেছে ২৯ শতাংশেরও বেশি। বাজেট সহায়তা ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গেই ছাড় করা হয় এবং এটি সরাসরি বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যবহার করা যায়, যা প্রকল্প ঋণের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।

ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়াও ঋণের বোঝা বাড়িয়েছে। কয়েক বছর আগে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা, যা এখন বেড়ে ১২২ টাকার আশপাশে দাঁড়িয়েছে। কোভিড–পরবর্তী সময়ে আমদানি বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়া এর অন্যতম কারণ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সরকারের মোট ঋণ ১ শতাংশ বেড়ে ২১ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে জিডিপির তুলনায় ঋণের অনুপাত প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ৩৮ দশমিক ৬১ শতাংশে পৌঁছেছে। মোট ঋণের মধ্যে ১১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে, বাকিটা বিদেশি ঋণ।

ঋণের বোঝা বাড়ার কারণে সরকারের সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সুদ বাবদ সরকারের ব্যয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেড়ে ৩১ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধ ১৯ শতাংশ বাড়লেও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ বেড়েছে ৮০ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধের ক্ষেত্রে ট্রেজারি সিকিউরিটিজ খাতে ব্যয় ২১ শতাংশ এবং জাতীয় সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ বেড়েছে।

Latest stories