29.9 C
Dhaka
Friday, June 5, 2026
Homeপ্রযুক্তিমালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিকমাধ্যম

মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিকমাধ্যম

Date:

Related stories

হাদির কবর জিয়ারতসহ তারেক রহমানের আজ যত কর্মসূচি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার সকাল ১১টার...

প্লে-অফে ইতালির প্রতিপক্ষ নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড

অবিশ্বাস্যভাবে শেষ দুটি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি চার...

অবশেষে শাকসু নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল

দীর্ঘ ২৬ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে অবশেষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও...

সাগরে স্টেডিয়াম-উদ্যান-জাদুঘর নিয়ে ভাসবে ‘অভিনব শহর’

দৈর্ঘ্যে প্রায় এক মাইল; প্রস্থে ৮০০ ফুট। উচ্চতায় ৩০...

মালয়েশিয়ায় এখন থেকে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোররা আর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার থেকেই দেশটিতে এই নিয়ম কার্যকর হতে শুরু করেছে। সরকারের দাবি, শিশুদের নিরাপদ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।

সরকার বলছে, সামাজিক মাধ্যম শিশুদের জন্য সব সময় নিরাপদ নয়। এখানে অনেক সময় খারাপ কনটেন্ট, সাইবার বুলিং ও অতিরিক্ত আসক্তির ঝুঁকি থাকে।

এই ঝুঁকি থেকে শিশুদের দূরে রাখতেই ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বড় বড় সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করতে হবে।

যদি কোনো অ্যাকাউন্ট ১৬ বছরের নিচে কারও বলে শনাক্ত হয়, তাহলে সেটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের ছবি, ভিডিও ও ব্যক্তিগত তথ্য ডাউনলোড করে রাখার জন্য এক মাস সময় পাবে।
নিয়ম না মানলে কোম্পানিগুলোকে বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হতে পারে।

মালয়েশিয়ার অনেক পরিবার এই সিদ্ধান্তকে ভালো বলছে। তাদের মতে, এতে শিশুরা বই পড়া, খেলাধুলা ও বাস্তব জীবনের কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।

অনেক অভিভাবক মনে করেন, সামাজিকমাধ্যম শিশুদের অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় চাপ ও আসক্তির দিকে ঠেলে দেয়।

একজন অভিভাবক বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের সন্তানরা নিরাপদে বড় হোক, ভুল কিছুর প্রভাব যেন তাদের ওপর না পড়ে।’
তবে সবাই একমত নন। কিছু পরিবার মনে করছে, সামাজিকমাধ্যম এখন কেবল বিনোদন নয়, এটা শেখারও জায়গা।

তাদের মতে, ইউটিউব বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে শিশুরা অনেক কিছু শিখতে পারে। তাই পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভালো উদ্দেশ্য আছে। কিন্তু এটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
কারণ অনেক সময় বয়স লুকিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব হতে পারে। আবার বয়স যাচাইয়ের জন্য ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হলে গোপনীয়তার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

Latest stories