35 C
Dhaka
Wednesday, April 22, 2026
Homeবাণিজ্যমূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ বহাল

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ বহাল

Date:

Related stories

৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মিলবে না, উদ্বেগে পরিবার-দল

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান...

‘তারেক রহমানের আসার ঘোষণার পর সাজানো ছকে ধারাবাহিক ঘটনা ঘটানো হচ্ছে’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘোষণার পর...

বাভুমা-হার্মার ঝলকে লো স্কোরিং থ্রিলারে ভারতকে হারিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা 

বল টার্ন করছে, আচমকা লাফিয়ে উঠছে, নিচুও হচ্ছে...ব্যাটারদের জন্য...

স্বপ্নে চলছে ‘প্রতিদিন লাখোপতি’ ক্যাম্পেইন, হাজার টাকার কেনাকাটায় লাখ টাকা জেতার সুযোগ

দেশের নম্বর ওয়ান রিটেইল চেইন ব্র্যান্ড 'স্বপ্ন' গ্রাহকদের জন্য...

বারবার কর্নওয়ালিসদের কাছেই ফিরবো?

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত বছর ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪।...

বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি–জুন সময়ের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। এতে নীতি সুদহার বা পলিসি রেট ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সুদহারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্বল্প ঋণ দেয়, সেটাই হচ্ছে নীতি সুদহার বা রেপো রেট। রেপোর বাংলা হচ্ছে পুনঃক্রয় চুক্তি। রেপো রেট মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত।

আজ সোমবার ২০২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হলেও ব্যাংকগুলোকে ঋণ দিতে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা জমা রাখার সুদ ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অর্থাৎ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা রেখে কম লাভ পাবে। ফলে তারা সেই টাকা ব্যবসা ও শিল্পখাতে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহী হবে।

গত তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। জানুয়ারি মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে।

গত ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশের চেয়ে বেশি।

মুদ্রানীতি বিবৃতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমার লক্ষণ দেখা গেলেও চাপ এখনো পুরোপুরি কমেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও সতর্ক করেছে, বিদেশি পণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব ঠেকাতে ডলারের বিপরীতে টাকার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা খুব জরুরি। এখনই যদি তাড়াহুড়ো করে সুদ কমানো হয়, তাহলে টাকার ওপর আবার চাপ তৈরি হতে পারে।

এছাড়া সামনে আরও কিছু কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে, যেমন—আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, রমজান মাস, এবং নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো চালু হলে মানুষের খরচ বাড়তে পারে।

এই কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সতর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ মুদ্রানীতি বজায় রাখা জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ১১ বার সুদহার বাড়িয়ে ১০ শতাংশে নিয়ে যায়। এরপর থেকে অতিরিক্ত চাহিদা কমানো ও দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই হার অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে।
 

Latest stories