33.7 C
Dhaka
Wednesday, August 12, 2026
Homeআন্তর্জাতিকমূল বিচারপর্বে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা, সোমবার শুনানি শুরু

মূল বিচারপর্বে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা, সোমবার শুনানি শুরু

Date:

Related stories

নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না: সালাহউদ্দিন আহমেদ

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান ওরফে মুসাব্বীরকে গুলি করে...

বিশ্বকাপে সুপার এইটে উঠলে যেমন হতে পারে বাংলাদেশের সূচি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ হয়েছে গতকাল। কঠিন গ্রপে...

এখনো বাল্যবিয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে যে গতিতে বাল্যবিয়ে কমছে, তাতে এই প্রথা পুরোপুরি...

‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি কি রাষ্ট্রকে দুর্বল করে, নাকি শক্তিশালী?

প্রতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক আদিবাসী...

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন এনইসিতে

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা,...

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) আগামীকাল সোমবার থেকে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে। 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিজে জানায়, নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আদালতে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই শুনানি চলবে। 

শুক্রবার জারি করা এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার মূল বিষয়ের ওপর এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে দুই পক্ষের সাক্ষী ও একজন বিশেষজ্ঞের জবানবন্দি নেয়া হবে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে উইমেনস পিস নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ওয়াই ওয়াই নু বলেন, ‘মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার ঐতিহাসিক মামলা অবশেষে মূল বিচারপর্বে প্রবেশ করায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে—আমাদের কয়েক দশকের ভোগান্তির হয়তো একদিন অবসান ঘটবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতার মধ্যেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত, দায়মুক্তির অবসান এবং মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্বকে দৃঢ় অবস্থানে থাকতে হবে।”

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর অভিযানের মুখে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

মামলার আবেদনে গাম্বিয়া অভিযোগ করে, জেনোসাইড কনভেনশন অধীনে মিয়ানমার তার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করেছে। 

একই সঙ্গে অবিলম্বে সব ধরনের আন্তর্জাতিকভাবে বেআইনি কার্যক্রম বন্ধ করা এবং গণহত্যার শিকার ভুক্তভোগীদের স্বার্থে ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়।

আবেদনের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় অস্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ারও অনুরোধ জানায় গাম্বিয়া।

এর প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলে মিয়ানমার আদালতের এখতিয়ার ও মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রাথমিক আপত্তি তোলে।

তবে ২০২২ সালের ২২ জুলাই দেওয়া রায়ে আইসিজে জানায়, জেনোসাইড কনভেনশনের ৯ নম্বর অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে গাম্বিয়ার করা আবেদনের ওপর শুনানির এখতিয়ার আদালতের রয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর ভয়াবহ নিপীড়ন চালিয়ে আসছে, যা এখনও চলমান।

Latest stories