28 C
Dhaka
Friday, April 10, 2026
Homeআন্তর্জাতিকযুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ শীতকালীন ঝড়

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ শীতকালীন ঝড়

Date:

Related stories

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি সই সোমবার: বাণিজ্য উপদেষ্টা

আগামীকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বাণিজ্য চুক্তি সই...

দেশ-বিদেশের ২৪৬ সিনেমা নিয়ে শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

৭০টির বেশি দেশের ২৪৬টি সিনেমা নিয়ে আগামী ১০ জানুয়ারি...

দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত অন্তত ৯

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের কাছে একটি পানশালায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে...

‘সরকার ও পুলিশ দিয়ে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকার...

কীভাবে ভারতের দুর্বলতা কাজে লাগাবে বাংলাদেশ, জানালেন শমিত

বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত চারটি ম্যাচ খেললেও জয়ের দেখা...

গাজায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়া লক্ষাধিক ফিলিস্তিনির দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে শীতকালীন ঝড়-বৃষ্টি। ত্রাণ সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলছে, ইসরায়েলের বিধিনিষেধের কারণে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে জীবনরক্ষাকারী আশ্রয় সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

আল জাজিরার খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, তাদের কাছে তাঁবু, কম্বলসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী গাজায় প্রবেশের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে এসব সহায়তা ঢুকতে বাধা দিচ্ছে বা কঠোরভাবে সীমিত করছে।

বুধবার উদ্ধারকর্মীরা জানান, গাজা শহরের শাতি শরণার্থী শিবিরে ঝড়ের সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি পারিবারিক বাড়ির ছাদ ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপ থেকে দুই শিশুসহ ছয়জন ফিলিস্তিনিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, মাত্র দুই সপ্তাহ বয়সী এক ফিলিস্তিনি শিশু ঠান্ডায় মারা গেছে। এতে পর্যাপ্ত আশ্রয় না থাকা শিশু ও বয়স্কদের ভয়াবহ ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এসেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র জানান, ঝড়ের কারণে পুরো গাজাজুড়ে আশ্রয়কেন্দ্র ও মানুষের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ফারহান হক বলেন, এই পরিস্থিতির প্রভাব গাজার প্রায় ৩০ হাজার শিশুর ওপর পড়েছে। গাজার ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজা উপত্যকায় আমরা এখন যা দেখছি, তা সত্যিকার অর্থেই একটি মানবিক বিপর্যয়।

গাজায় মানবিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার মধ্যেই কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল থানি ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে গাজায় নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা নিয়ে তাদের আলোচনা হয়।

এদিকে যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও গাজায় সহিংসতা থামেনি। চিকিৎসা সূত্র জানায়, গাজা শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, গাজার তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছে ছোড়া একটি মর্টার শেল লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

গাজায় থাকা আল জাজিরার সাংবাদিকরা জানান, দক্ষিণের খান ইউনিস শহরের পূর্ব দিকে ইসরায়েলি কামান থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গাজা শহরের পূর্বাঞ্চলের তুফাহ এলাকায় ইসরায়েলি গুলিতে আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
 

Latest stories