28.7 C
Dhaka
Tuesday, August 4, 2026
Homeবাংলাদেশরাতে তুলে নেওয়ার ১০ ঘণ্টা পর সাংবাদিক সোহেলকে ছাড়ল ডিবি

রাতে তুলে নেওয়ার ১০ ঘণ্টা পর সাংবাদিক সোহেলকে ছাড়ল ডিবি

Date:

Related stories

মহাকাশে চিনির সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা!

বিজ্ঞানীরা বহু দশক ধরে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। সেই...

জীবদ্দশায় সম্পত্তি দান ও বৃদ্ধ বয়সের সুরক্ষা: সঠিক পদক্ষেপ, তবে দূর করতে হবে আইনি অস্পষ্টতা

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গত ৩০ জুলাই জানিয়েছেন, সরকার সম্পত্তি...

চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রাবাজার থেকে প্রায় ৬০০...

‘জ্বিনের বাচ্চা’র মতো সিনেমা বছরে একটি হলেই যথেষ্ট

অভিনয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন মৌসুমী হামিদ। তার সমসাময়িক...

চীন, ইরান, রাশিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার নৌ মহড়া, আশঙ্কা নতুন উত্তাপের

কেপটাউনের উপকূলে রাশিয়া, ইরান ও চীনের সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী যৌথ...

ভোরের কাগজের অনলাইন সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেলকে তুলে নেওয়ার প্রায় ১০ ঘণ্টা পর ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গতকাল মধ্যরাতের পর বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। আজ ভোরে স্ত্রীর জিম্মায় তাকে ছাড়া হয়।

একটি প্রতিষ্ঠানের প্যাডে সভাপতির যোগাযোগের জায়গায় ভুলবশত তার নম্বর ব্যবহার করায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ডিবি।

ডিবি প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সোহেল একটি প্রতিষ্ঠানের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করতেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের প্যাড ব্যবহার করেন। তবে, সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগের জায়গায় নিজের মোবাইল ফোন নম্বর দেন। নম্বরটি শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আনা হয়েছিল।

ডিবির প্রধান আরও বলেন, ‘পরে ওই প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সোহেল সভাপতি নন এবং নম্বরটি ভুলবশত দেওয়া হয়েছে।’ মুচলেকা নিয়ে ভোরের দিকে তাকে তার স্ত্রীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে আজ সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান সোহেল লিখেছেন, ‘বিনা অপরাধে প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ডিবি হেফাজতে থাকার পর তারা আমাকে স্বসম্মানে বাসায় পৌঁছে দিয়েছে।’

তিনি লিখেছেন, ‘রাত ১২টার দিকে ডিবি প্রধান আমার সঙ্গে কথা বলবেন, এই অজুহাতে ৫/৬ জন ডিবি সদস্য জোর করে আমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। ডিবিতে নিয়ে আসামির খাতায় আমার নাম লেখা হয়। জুতা-বেল্ট খুলে রেখে গারদে আসামিদের সাথে আমাকে রাখা হয়।’

সোহেল আরও দাবি করেন, তিনি যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছিলেন, তার সম্পাদক আবু সাঈদ পিয়াসকেও আটক করা হয়েছে এবং তিনি এখনো ডিবি কার্যালয়ে আছেন।

Latest stories