32 C
Dhaka
Saturday, August 29, 2026
Homeবাংলাদেশসৌদি আরবে বাংলাদেশি যুবক অপহরণে দেশে মুক্তিপণ আদায়: সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার ১

সৌদি আরবে বাংলাদেশি যুবক অপহরণে দেশে মুক্তিপণ আদায়: সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার ১

Date:

Related stories

ফুলবাড়ীর যে শিক্ষা বিএনপির মনে রাখা উচিত

সম্প্রতি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত...

মেঘনা গ্রুপের আইএফসির ঋণ আবেদন প্রাথমিকভাবে নাকচের পর বিবেচনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

চারটি জাহাজ কিনতে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) ৮০ মিলিয়ন...

ঈদের সিনেমায় যে কারণে নজর কাড়তে পারেন পূজা চেরি

আসছে ঈদুল ফিতরে সিনেমা ‘দম’। রেদওয়ান রনি পরিচালিত এই...

নির্বাচন কমিশন অভিমুখে ‘জুলাই ঐক্যের’ পদযাত্রা

জাতীয় পার্টি, ১৪ দলীয় জোট ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের...

৭১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে সময় লিভারপুলের

মৌসুমের শুরুতে টানা সাত ম্যাচ জিতে সবার চোখে ছিল...

সৌদি আরবে প্রবাসী রাসেলকে অপহরণ করে তার পরিবার থেকে দেশে বসেই মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে আন্তঃদেশীয় একটি চক্রের সদস্য জিয়াউর রহমানকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তিনি মাগুরার শালিখা উপজেলার বাসিন্দা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলার হরিপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জাসিম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, রিয়াদে ব্যবসা করা এবং প্রায় ২০ বছর ধরে সেখানে বসবাসকারী রাসেলকে ১২ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা অপহরণ করে। পরে একটি নামবিহীন আইএমও অ্যাকাউন্ট ও ভিওআইপি নম্বর ব্যবহার করে অপহরণকারীরা তার বড় ভাই সাইফুল ইসলামের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

টাকা পাঠাতে বাধ্য হয়ে সাইফুল খিলগাঁও ঝিলপাড়া এলাকা থেকে বিভিন্ন এমএফএস অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং আরও ২৫ লাখ টাকা একটি ব্যাংক হিসাবে পাঠান। মোট ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর অপহরণকারীরা রাসেলকে রিয়াদের একটি সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় ফেলে যায়। এর আগে তারা তার আঙুলের ছাপ ও আকামা আইডি নিয়ে হুমকি দেয়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলে জ্ঞান ফিরে রাসেল পরিবারকে বিষয়টি জানান। পরদিন ২১ জানুয়ারি তার শ্বশুর খিলগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে সিআইডি মুক্তিপণ লেনদেনের ট্রেইল ধরে জিয়াউরকে শনাক্ত করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সৌদিভিত্তিক অপহরণকারীদের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা স্বীকার করেন এবং জানান যে মুক্তিপণ থেকে তিনি ৫ লাখ টাকা কমিশন পেয়েছেন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।

Latest stories