28.1 C
Dhaka
Thursday, May 14, 2026
Homeপ্রযুক্তি৬৯ বছর পর কেন লোকসানে হোন্ডা?

৬৯ বছর পর কেন লোকসানে হোন্ডা?

Date:

Related stories

বাংলাদেশ, ভারতসহ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত শুরু

বিশ্ববাজারে পণ্যের অতিরিক্ত উৎপাদন মার্কিন উৎপাদন খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে...

সায়গলের রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথের সায়গল

উপমহাদেশের সংগীত ইতিহাসে কিছু নাম আছে, যাদের আলাদা করে...

ইউক্রেন আলোচনায় অগ্রগতি হলেও ‘জটিল সমস্যা’ অমীমাংসিত

ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে অগ্রগতি...

দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমার পরিকল্পনা আছে: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য,...

পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-ভারত দ্বৈরথ

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে আজ ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি...

জাপানের বিখ্যাত অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘হোন্ডা’-এর নাম শোনেনি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। বাংলাদেশে এই ব্র্যান্ড এতোটাই সুপরিচিত যে মোটরসাইকেলকেই অনেকে হোন্ডা বলে অভিহিত করে থাকেন। 

১৯৫৭ সালে জাপানের পুঁজিবাজারে প্রবেশ করে প্রথম বছর লোকসানের মুখে পড়েছিল হোন্ডা। তারপর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি এই প্রতিষ্ঠানটিকে। তবে ৬৯ বছরের সেই সুসময়ের যেন অবসান হলো এবার। ২০২৬ সালে এসে আবারও লোকসানের মুখ দেখলো হোন্ডা। 

আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি। 

যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রিক গাড়ি সংক্রান্ত কৌশলে আমূল পরিবর্তন এনেছে হোন্ডা। এরপরই এলো লোকসানের ঘোষণা। 

জাপানী গাড়ি নির্মাতাদের মধ্যে টয়োটার পরেই হোন্ডার অবস্থান। 

গত বছর ইলেকট্রিক গাড়ি সংক্রান্ত কার্যক্রমে বড় আকারের ‘হিসাবরক্ষণ সংক্রান্ত খরচ’ যোগ করার পর প্রতিষ্ঠানটি ৪১৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইয়েন (দুই দশমিক ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলার) লোকসানের মুখে পড়েছে। এই লোকসানকে প্রতিষ্ঠানটি ‘অপারেটিং লস’ আখ্যা দিয়েছে। 

একইসঙ্গে মোট ক্ষতির (নেট লস) পরিমাণ ও জানিয়েছে হোন্ডা। 

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন মতে, ১৯৭৭ সাল থেকে সমন্বিত আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা শুরু করে হোন্ডা। 

এবারই প্রথমবারের মতো ওই আর্থিক বিবরণীতে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৪২৩ দশমিক নয় বিলিয়ন ইয়েন দেখিয়েছে হোন্ডা। 

গত মার্চে হোন্ডা ঘোষণা দেয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রিক গাড়ির কয়েকটি মডেল তৈরি ও বাজারজাতকরণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। 

মূলত এ সিদ্ধান্তের কারণেই বিভিন্ন ধরনের জরিমানার মুখে পড়ে হোন্ডা, যার মোট পরিমাণ আড়াই ট্রিলিয়ন ইয়েন (১৬ বিলিয়ন ডলার)। 

হোন্ডা এই সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায় দিয়েছে। তাদের মতে, প্রেসিডেন্টের নির্দেশে সরকারের নীতিমালায় পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে আছে আমদানি শুল্ক আরোপ ও ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিকারকদের কর প্রণোদনা বাতিল। 

পাশাপাশি, চীন ও এশিয়ার অন্যান্য বাজারে হোন্ডা পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধাও কমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করে হোন্ডা। 

সাম্প্রতিক সময়ে অন্যান্য জাপানী গাড়ি নির্মাতারাও মার্কিন শুল্ক, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আসা তীব্র প্রতিযোগিতা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। 

‘ট্রাম্প শুল্কের’ পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্ত মেনে নিয়েছে জাপান। শর্ত অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৫৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান। 

মার্কিন সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্প শুল্ক বাতিলের নির্দেশ দিলেও পরবর্তীতে নিয়ম মেনে ফেব্রুয়ারিতে সব ধরনের আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। যার ফলে, জাপানের বিনিয়োগ শর্ত এখনো কার্যকর আছে।

Latest stories