34.1 C
Dhaka
Saturday, June 13, 2026
Homeবাণিজ্যজুনের মধ্যে বাংলা কিউআর চালু না করলে জরিমানা

জুনের মধ্যে বাংলা কিউআর চালু না করলে জরিমানা

Date:

Related stories

বিভ্রাটের ঘণ্টাখানেক পর ফেসবুক-মেসেঞ্জার চালু

হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর সক্রিয়...

নতুন ম্যাগাজিনে আবুল হায়াত ও মনির খানের উপস্থিতি

বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) শুরু হচ্ছে নতুন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'অভিনন্দন'।...

ভেনেজুয়েলায় বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক

ভেনেজুয়েলায় বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্টারলিংক।ধনকুবের ইলন...

জামায়াতসহ ৮ দলের সঙ্গে জোট করে নির্বাচন করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দলের...

অ্যাশেজের প্রথম দিনে পড়ল ১৯ উইকেট

অ্যাশেজের বহুল প্রতীক্ষিত আরেকটি অধ্যায় যেন প্রথম দিনেই দাঁড়িয়ে...

দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব মার্চেন্ট পয়েন্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

এই নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও অপারেটরদের (পিএসও) জন্যও এই একই নিয়ম কার্যকর হবে।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়ম লঙ্ঘন করলে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস অ্যাক্ট ২০২৪’-এর ৩৭(৫) ধারা এবং অন্যান্য প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

দোষী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং দায়ীদের তিন বছরের জেল বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মার্চেন্ট পয়েন্টে (দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) স্পষ্টভাবে ‘বাংলা কিউআর’ প্রদর্শন করতে হবে। ব্যাংক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সমন্বয় ও ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত মার্চেন্ট পয়েন্ট তদারকি করতে হবে। যদি কোনো মার্চেন্ট পেমেন্টের বদলে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে ক্যাশ-আউট সুবিধা দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কিউআর সুবিধা বাতিল করতে হবে।

গ্রাহক ও বিক্রেতাদের মাঝে বাংলা কিউআর সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই ‘বাংলা কিউআর’ আনা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট একটি অ্যাপের ওপর নির্ভর না থেকে যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একটি মাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

২০২৩ সালে এই ইন্টারঅপারেবল সিস্টেম চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস বা নগদহীন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর পেমেন্ট সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Latest stories