33.4 C
Dhaka
Saturday, June 27, 2026
Homeবাংলাদেশ৬৭৮ কোটি টাকা মানি লন্ডারিং: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

৬৭৮ কোটি টাকা মানি লন্ডারিং: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

Date:

Related stories

মুশফিক জোড়া সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ার সুযোগ কেন পেলেন না?

ক্রিকেট ইতিহাসে ক্যারিয়ারের শততম টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড...

তামাকের সহজলভ্যতা বাড়াচ্ছে অসংক্রামক রোগের বোঝা

বাংলাদেশে লাখো মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যান। অথচ যে...

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে থেকে যাবে আরও ১২ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের ১২ লাখ মানুষ...

অরিজিৎ সিংয়ের প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা নিয়ে নানা প্রশ্ন

বলিউড ও বাংলা সিনেমার গানে অনবদ্য নাম অরিজিৎ সিং।...

ম্যানহাটনের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রী

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের...

স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আজ মঙ্গলবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের আর্থিক লেনদেনের নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অনুসন্ধান শুরু করেছিল সিআইডির ফিন্যানসিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন করেছে এমন তথ্য সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাজধানীর গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২, (সংশোধনী-১৫) এর ৪(২) (৪) ধারায় সিআইডি মামলাটি দায়ের করে। মামলা নম্বর ৩০।

জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশে-বিদেশে স্বর্ণ ও হীরা ব্যবসা পরিচালনার আড়ালে অর্থ পাচার ও চোরাকারবারি করে আসছিলেন দিলীপ আগরওয়ালা।

অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মোট ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকার স্বর্ণবার, অলংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অন্যান্য পণ্য বৈধভাবে আমদানি করে। একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয়-বিনিময় ও পরিবর্তন পদ্ধতিতে মোট ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সিআইডিকে এর উৎস বা সরবরাহকারী সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

Latest stories