27.4 C
Dhaka
Friday, July 31, 2026
Homeবাণিজ্যব্যাংকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

ব্যাংকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

Date:

Related stories

২ মাস পর মেয়ের ছবি প্রকাশ করলেন অপূর্ব

প্রায় দুই মাস পর মেয়ে আনায়ার ছবি প্রকাশ করলেন...

অভিবাসী নির্বাসনে ট্রাম্পের হাতিয়ার আইসিই, এর কাজ কী?

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে ৩৭ বছর বয়সী রেনে নিকোল গুডকে গুলি...

জামায়াতের সঙ্গে জোট কি এনসিপিকে সংকটে ফেলছে?

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি।...

জাতীয় অ্যাথলেটদের দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা নয়: হুঁশিয়ারি এনএসসির

জাতীয় দল সম্পৃক্ত খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক বা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার...

সাবেক আ. লীগ সরকারের ৩৩২ কোটি টাকায় রোজ গার্ডেন ক্রয় নিয়ে তদন্তে দুদক

২০১৮ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে পুরান ঢাকার...

যারা ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন তাদের জন্য স্বস্তির খবর আসছে আগামী বাজেটে। ব্যাংকে জমা রাখা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক মওকুফের সীমা বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। 

প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকে যাদের ব্যাংক হিসাবে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা থাকবে, তাদের কোনো আবগারি শুল্ক দিতে হবে না।

বর্তমানে ব্যাংকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা থাকলে কোনো শুল্ক কাটা হয় না।

আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সময় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই নতুন বিধানের কথা জানাতে পারেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম ধাপে শুল্কমুক্ত সীমা ৫ লাখ টাকা করা হলেও এর পরের স্তরগুলোর (স্ল্যাব) সীমা ও শুল্কের হার অপরিবর্তিত থাকবে।’

ব্যাংক হিসাবে জমা টাকার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে বছরে ৫০০ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আবগারি শুল্ক কাটা হবে। 

আগামী অর্থবছর থেকে ব্যাংক হিসাবে ৫ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতি (ব্যালেন্স) থাকলে ৫০০ টাকা শুল্ক দিতে হবে। আর জমার পরিমাণ ৫ কোটি টাকা ছাড়ালে শুল্ক হবে ৫০ হাজার টাকা। এর মাঝামাঝি আরও কয়েকটি স্তর থাকছে।

বর্তমানে এই আবগারি শুল্ক থেকে সরকার ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, ‘৫ লাখ টাকার শুল্কমুক্ত সীমা কার্যকর হলে ক্ষুদ্র আমানতকারীরা স্বস্তি পাবেন। তবে এতে সরকারের প্রায় ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব কমে যেতে পারে।’

বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান মনে করেন, ব্যাংক আমানতের ওপর থেকে এই শুল্ক ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ‘আবগারি শুল্ক ধীরে ধীরে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। আমার একে ন্যায্য মনে হয় না। এটি অনেকটা ব্যাংকে টাকা রাখার জন্য “জরিমানা” দেওয়ার মতো।’

এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, ‘সরকারের উচিত এই ব্যবস্থা বাতিল করে একটি আধুনিক ও ন্যায্য কর ব্যবস্থা চালু করা।’

(সংক্ষেপিত অনুবাদ, বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন এই লিংকে)

Latest stories