28.8 C
Dhaka
Friday, July 31, 2026
Homeবিনোদননতুন সরকারের কাছে শোবিজ অঙ্গনের পাঁচ তারকার প্রত্যাশা

নতুন সরকারের কাছে শোবিজ অঙ্গনের পাঁচ তারকার প্রত্যাশা

Date:

Related stories

ওজন কমানোর ওষুধ খাইনি, তবে খাওয়া উচিত: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই জনসমক্ষে এমনটা বলে থাকেন...

বিএনপির মাথাব্যথা এখন বিদ্রোহী প্রার্থী

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিকে দুই দিক থেকে লড়তে হতে...

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কখন, কোথায়

মুম্বাইতে এক জমকালো আয়োজনে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ও...

তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে মামলা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে...

ব্যাংকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

যারা ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন তাদের জন্য স্বস্তির খবর...

একদিন পরই গঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকার। রাজনৈতিক পালাবদলের এই মুহূর্তে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনও তাকিয়ে আছে নতুন নেতৃত্বের দিকে। 

শোবিজের শিল্পীরা চান, সৃজনশীল কাজের পরিবেশ নিশ্চিত হোক, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় থাকুক এবং শিল্পচর্চা বাধাহীনভাবে এগিয়ে যাক।

দ্য ডেইলি স্টারের কাছে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন পাঁচ তারকা—আবুল হায়াত, তারিক আনাম খান, সালাহউদ্দিন লাভলু, গিয়াসউদ্দিন সেলিম ও মাসুম রেজা।

আবুল হায়াত বলেন, তিনি আগের মতোই কাজ করতে চান, তবে কোনো ধরনের বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়া। তার প্রত্যাশা, দেশের জন্য ভালো ও রুচিশীল কাজ বেশি হবে। শিল্পীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে, পাশাপাশি শিল্পীদেরও দায়বদ্ধ থাকতে হবে। তার মতে, শিল্পের কাজ দেশের মানুষের কথা বলবে এবং নতুন সরকারের উচিত শিল্পচর্চার পরিবেশ সুন্দর ও উন্মুক্ত রাখা।

তারিক আনাম খান বলেন, সংস্কৃতি একটি দেশের পরিচয় বহন করে। গান, নাটক ও সিনেমা দেশের সুনাম আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দিচ্ছে। তবে গত দেড় বছরে সাংস্কৃতিক অঙ্গন, বিশেষ করে থিয়েটার খাত চাপে ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সরকার নিয়ন্ত্রণ যত কম করবে, ততই ভালো। ঢাকা শহর বিস্তৃত হলেও থিয়েটার হল বাড়েনি। উত্তরা, গুলশান বা ধানমন্ডির মতো এলাকায়ও পর্যাপ্ত মঞ্চ নেই। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, সবার আগে দেশ ভালো থাকতে হবে। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী না হলে সাংস্কৃতিক অঙ্গনও এগোতে পারবে না। অভিনয় ও নাটক পরিচালনার সঙ্গে সারাজীবন যুক্ত থাকা এই শিল্পীর প্রত্যাশা, সাংস্কৃতিক খাতে বেশি কাজ ও বেশি বিনিয়োগ হোক। পাশাপাশি শিল্পী ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

গিয়াসউদ্দিন সেলিমের মতে, একটি শক্তিশালী জাতি গঠনে শিল্পের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জন্মের পর থেকেই সাংস্কৃতিক খাত অবহেলিত বলে তিনি মনে করেন। তার ভাষায়, সংস্কৃতি চর্চা যত বাড়বে, জাতিও তত উন্নত হবে।

তিনি বলেন, কম বাজেট ও উপেক্ষা দিয়ে এই খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সংস্কৃতির দিক থেকেও সমৃদ্ধ হতে হবে।

মাসুম রেজা বলেন, গত কয়েক মাসে অনেক নাটকের প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক উৎসব বন্ধ হয়েছে। ঢাকার বাইরে আয়োজন করা বহু অনুষ্ঠানও শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়েছে। তার নিজের জেলা কুষ্টিয়ায় একটি বড় উৎসব হওয়ার কথা থাকলেও তা বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, কেন এসব বন্ধ হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অনেক বাউল ও মরমি শিল্পীও নিয়মিত গান পরিবেশনের সুযোগ পাননি। নতুন সরকারের কাছে তার প্রত্যাশা, শিল্পচর্চা যেন বাধাহীনভাবে চলতে পারে এবং শিল্পীরা স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ পান।

Latest stories