31 C
Dhaka
Friday, October 2, 2026
Homeআন্তর্জাতিকমিনিয়াপোলিসে কী হচ্ছে, ১৫০০ সেনা প্রস্তুত কেন?

মিনিয়াপোলিসে কী হচ্ছে, ১৫০০ সেনা প্রস্তুত কেন?

Date:

Related stories

আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু না হলেও গণসংযোগে ব্যস্ত প্রার্থীরা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক...

গোলকধাঁধায় মিডল অর্ডার

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নুরুল হাসান সোহান যখন ক্রিজে আসেন তখন...

সার কারখানার গ্যাসের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সার কারখানার জন্য গ্যাসের...

জৈব অস্ত্র তৈরির পদ্ধতি জানাল চীনের এআই, ‘জেলব্রেকিং’ নিয়ে উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে বারবার এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ঘিরে উদ্বেগজনক...

জনবসতি থেকে ৩০০ মিটার দূরত্বে পোলট্রি ফার্ম, থাকতে হবে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট

দেশের হাঁস-মুরগি পালন খাতকে আরও নিরাপদ ও রপ্তানিমুখী করতে...

যেকোনো সময় মোতায়েনের জন্য প্রায় এক হাজার ৫০০ সেনাকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা।

তবে তাদের কোথায় মোতায়েন করা হবে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেননি তিনি।

বিবিসির ধারণা, এই সেনাদের সম্ভবত মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের প্রধান শহর মিনিয়াপোলিসে মোতায়েন করা হতে পারে। শহরটিতে অভিবাসনবিরোধী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে।

ওই প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিএসবি নিউজকে জানান, ওই সেনারা বর্তমানে আলাস্কায় রয়েছেন। তবে তাদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে, যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইলেই যেকোনো সময় তাদের মোতায়েন করতে পারেন।

এই সেনারা ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের সদস্য। তারা মূলত ঠান্ডা আবহাওয়ায় কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশিক্ষিত।

চলতি মাসের শুরুর দিকে মিনিয়াপোলিসে ৩৭ বছর বয়সী নারী রেনে নিকোল গুড আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত হন।

রেনে পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ও শখের গিটারবাদক ছিলেন। শহরটির রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, একজন ‘লিগ্যাল অবজারভার’ হিসেবে আইসিই এজেন্টদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন সেই নারীকে ‘অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী’ বলে উল্লেখ করেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মিনিয়াপোলিসে বিক্ষোভ চলাকালে বহু মানুষের হাতে ‘জাস্টিস ফর রেনে’ লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে।

এমন অবস্থায় মিনেসোটার সরকারি কর্মকর্তারা স্থানীয়দের শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভের অনুরোধ করেছেন। পরিস্থিতি বলছে, বিক্ষোভকারীরা ক্রমান্বয়ে সহিংস হয়ে উঠছে। তাই যেকোনো সময় সেখানে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মিনিয়াপোলিসে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে আইসিই এজেন্টদের নমনীয় কৌশল নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন এক ফেডারেল বিচারক। এমন আদেশের পর সেনা প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

এই ঘটনার আগে ফেডারেল বিচারক ক্যাথেরিন মেনেন্দেজ এক রায়ে বলেন, ‘আইসিই এজেন্টদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ বা নজরদারি করা ব্যক্তিসহ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার বা তাদের ওপর পিপার স্প্রে ব্যবহার করা যাবে না।’

আইসিই-বিরোধী বিক্ষোভের আগে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর টিম ওয়ালজ ন্যাশনাল গার্ডকে সক্রিয় করে সতর্ক রেখেছেন। পাশাপাশি, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও মিনিয়াপোলিসে মোতায়েন করা হয়েছে।

Latest stories