29 C
Dhaka
Sunday, September 20, 2026
Homeবিনোদনবইমেলার জন্য তিনটি নাটক ছেড়েছেন ডা. এজাজ

বইমেলার জন্য তিনটি নাটক ছেড়েছেন ডা. এজাজ

Date:

Related stories

ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিলেন মাচাদো

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড...

ঝুঁকির পথে হাঁটবে না বাংলাদেশ

নির্বাচকরা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই...

ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে ভাইয়ের মৃত্যু

গরুর জন্য বাড়ির পাশে খড় আনতে গিয়েছিলেন বড় ভাই।...

সরকারের গুদামে সার, কৃষক কেন পাচ্ছে না?

দেশে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সার সংকট চলছে।...

ভেঙে দেওয়া হলো ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, প্রশাসক নিয়োগ

তারল্য সংকট, আমানত তুলে নেওয়া, বিক্ষোভ, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং...

অভিনেতা হিসেবেই তার মূল পরিচিতি। নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অসংখ্য নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। এখনো নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন। তবে পেশায় তিনি একজন চিকিৎসক। এবারের একুশে বইমেলায় তাকে নতুন পরিচয়ে পাচ্ছেন পাঠকেরা; লেখক হিসেবে।

প্রতিদিন নিয়ম করে বইমেলায় যাচ্ছেন ডা. এজাজ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সময় প্রকাশনের স্টলে বসেন এবং ভক্তদের অটোগ্রাফ দেন। সময় প্রকাশন থেকে তার লেখা দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে—‘হুমায়ুন স্যারের চোখে জল’ ও ‘হুমায়ুন স্যারের শুটিং ও আমি’।

বই দুটির কেমন সাড়া পাচ্ছেন? এ প্রশ্নের জবাবে ডা. এজাজ বলেন, ‘পাঠকদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। তারা আগ্রহ নিয়ে বই দুটি কিনছেন। অটোগ্রাফ দেওয়া এবং ছবি তোলাও হচ্ছে। বিষয়টা খুব উপভোগ করছি।’

অভিনয়শিল্পীর বাইরে লেখক পরিচয়ে মেলায় আসার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই অনুভূতি সত্যিই অন্য রকম, যা বলে বোঝানো যাবে না। মানুষের জীবনে কিছু কিছু অনুভূতি থাকে, যা আনন্দ ও ভালো লাগা দেয়; লেখক পরিচয়টিও আমাকে সেই আনন্দ দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে গাজীপুর চলে যাই। ওখানে আমার চেম্বার। রোগী দেখে তারপর বইমেলায় আসি। প্রতিদিন সম্ভব না হলেও নিয়ম করে আসছি। মেলার টানেই চলে আসতে হচ্ছে, কারণ আমার বই প্রকাশিত হয়েছে।’

বই নিয়ে ডা. এজাজ বলেন, ‘আমার বই দুটি মূলত হুমায়ূন স্যারের সঙ্গে কাটানো জীবনের অনেক স্মৃতি থেকে লেখা বাস্তব জীবনের গল্প। পাঠকেরা বইগুলো পড়ে আমার প্রিয় স্যারকে জানতে পারবেন।’

পাঠকপ্রতিক্রিয়া কেমন পাচ্ছেন? তিনি বলেন, ‘খুব ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। কিছুদিন আগে মেলায় এসে এক নারী পাঠক বলেছেন, আমার বই পড়ে তিনি কেঁদেছেন। আমি বিস্মিত হয়েছি এবং খুশিও হয়েছি। এটাই তৃপ্তির জায়গা। আরও অনেক পাঠক বই দুটি পড়ে ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন।’

ভবিষ্যতের লেখালেখি নিয়ে ডা. এজাজ জানান, তিনি নতুন একটি উপন্যাস লিখছেন, যা আগামী মেলায় প্রকাশের ইচ্ছা আছে। এরপর এক বছর বিরতি দিয়ে আবারও হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে বই লিখবেন।

বইমেলায় নিয়মিত আসছেন, তাহলে শুটিং করছেন কখন? ডা. এজাজ বলেন, ‘অভিনয় সারা বছর করতে পারব, কিন্তু বইমেলা তো বছরে একবারই আসে। সত্যি কথা হচ্ছে, বইমেলার জন্য তিনটি নাটক ছেড়ে দিয়েছি। কোনোটা সাত দিনের ধারাবাহিক, কোনোটি এক ঘণ্টার নাটক। প্রস্তাব আসছেই, কিন্তু মেলায় আসতে হবে বলে আপাতত নতুন কাজ নিচ্ছি না। মেলায় আসার আগেও তো আমাকে ঢাকা থেকে গাজীপুরে গিয়ে চেম্বারে বসতে হয়, রোগী দেখতে হয়।’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সময় প্রকাশনের স্টলে কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে ডা. এজাজ পাঠকদের অটোগ্রাফ দিচ্ছিলেন, ছবি তুলছিলেন হাসিমুখে। কথা বলতে বলতে রাত হয়ে যায়।

সবশেষে ডা. এজাজ বললেন, ‘বইমেলায় আসছি, খুব ভালো লাগছে। ভীষণ ভালো লাগছে।’

Latest stories