শুক্রবারের ভূমিকম্পে হঠাৎ সারা দেশ কেঁপে ওঠে। এতে হতাহত ও ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। তারপর আজ শনিবার আফটারশকে আরও দুইবার কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন এলাকা।
এমন পরিস্থিতিতে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক তথ্য না জানা ও অপতথ্যের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের প্রভাষক জাওয়াদ ইবনে ফরিদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ভূমিকম্প প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে বিভ্রান্তি ও অপতথ্য।’
‘এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পের কোনো পূর্বাভাস হয় না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ‘পূর্বাভাস’ প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। অজ্ঞতাবশত তাড়াহুড়ো করে ভবন ছাড়তে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
জাওয়াদ ইবনে ফরিদ বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে বারবার সতর্কতা বার্তা ও করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা যেতে পারে।’
তিনি বিশেষভাবে ভূমিকম্প চলাকালে ডিসিএইচ—ড্রপ, কভার, হোল্ড—পদ্ধতি অনুসরণের কথা উল্লেখ করেন।
নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেমা (ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি) ভূমিকম্পের সময় ডিসিএইচ সম্বলিত তাৎক্ষণিক করণীয়ের একটি চেকলিস্ট প্রকাশ করেছে।
মাটি কাঁপতে শুরু করলে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া কমিয়ে দ্রুত কাছের কোনো নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন। ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এবং বাইরে যাওয়া নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ঘরের ভেতরে থাকতে হবে।
আপনি যদি ঘরের ভেতরে থাকেন
আপনি যদি বাইরে থাকেন
আপনি যদি গাড়িতে থাকেন
যদি আপনি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন

