30 C
Dhaka
Monday, September 21, 2026
Homeবিনোদনভালো নেই পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক শাহনেওয়াজ কাকলী

ভালো নেই পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক শাহনেওয়াজ কাকলী

Date:

Related stories

‘ওয়ান বক্স’ পলিসিতে হোঁচট: গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোটের হিসাব পাল্টে যেতে পারে

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ভোট 'এক বাক্সে' আনার লক্ষ্যে যে ১১...

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপ: ট্রাম্প

যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হবে...

‘সাইফুদ্দিনের ইনিংসটি ছিলো আউটস্ট্যান্ডিং’

অনায়াসে জয়ের রাস্তাতেই ছিলো বাংলাদেশ। ফিফটি করা অধিনায়ক লিটন...

ঝিনাইদহে বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়ায় সংঘর্ষে আহত ১০

ঝিনাইদহে বিয়ের দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের...

আইফোনের জন্য জীবন? অপ্রতিমের ঘটনায় সামনে আসছে যে প্রশ্নগুলো

মায়ের আইফোন সঙ্গে নিয়ে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে...

‘উত্তরের সুর’ ও ‘নদীজন’ খ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক শাহনেওয়াজ কাকলী ভালো নেই। তার দিন কাটছে হাসপাতালে। সিআরপিতে ভর্তি আছেন অনেক দিন ধরে। গত বছরের অক্টোবরে স্ট্রোক করেছিলেন তিনি। তারপর থেকেই ভালো নেই তিনি।

শাহনেওয়াজ কাকলীর সবশেষ খবর জানতে আজ যোগাযোগ করা হয় তার স্বামী জনপ্রিয় অভিনেতা প্রাণ রায়ের সঙ্গে। 

তিনি বলেন, ‘মান্না পাপিয়া নামে একজন থেরাপিস্ট আছেন, তার অধীনে থেরাপি চলছে। অল্প কিছু দিন ধরে চেয়ারে বসিয়ে দেওয়ার পর বসে থাকতে পারে। একসময় তাও পারত না। এখন অন্তত বসিয়ে দিলে বসে থাকতে পারে।’

 

‘হাঁটা-চলা করতে পারে না একা একা। কোমরে বেল্ট বেঁধে তারপর ধরে হাঁটাতে হয়’, যোগ করেন তিনি। 

চিকিৎসকরা কী বলছেন? এর জবাবে প্রাণ রায় বলেন, ‘তারা খুব চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সময় লাগবে ঠিক হতে। সিআরপিতে সবাই ভীষণ আন্তরিক। তাদের আন্তরিকতা এবং ভালোবাসা সত্যিই অন্যরকম। বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছে।’

 

নির্মাতা শাহনেওয়াজ কাকলী কথা বলতে পারেন কি না? এর জবাবে স্বামী প্রাণ রায় বলেন, ‘কাকলী কথা বলতে পারে। শুরুতে কথা বলতে কষ্ট হতো। এখন পারে। ৮০ ভাগ কথা বলার মতো অবস্থায় আছে। সব মিলিয়ে আগের চেয়ে কিছুটা ভালো আছে। একটু একটু করে উন্নতি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বাম হাত এবং বাম পা নিজ থেকে মুভ করতে পারে না। সহযোগিতা ছাড়া মুভ করা সম্ভব হয় না বাম হাত এবং বাম পা। সময় লাগবে।’

শাহনেওয়াজ কাকলী স্ট্রোক করার পর প্রথমে দুই মাস হাসপাতালে ছিলেন। 

 

এরপর এক মাস বাসায় থাকার পর ফের এক মাস ধরে হাসপাতালের কেবিনে আছেন। 

প্রাণ রায় বলেন, ‘আমরা হাসপাতালের কেবিনে আছি। আরও অনেক দিন থাকতে হবে।’

স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য নিজের গাড়িটা বিক্রি করে দিয়েছেন। এই বিপদের দিনে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বন্ধুরা এবং কাছের মানুষেরা। অভিনয় শিল্পী সংঘ পাশে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, পরিচিত কিছু মানুষেরাও পাশে আছেন এখনো। অন্যদিকে, প্রাণ রায় চারুকলার ছাত্র ছিলেন, সেখানকার অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যারা পাশে আছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা।’

 

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়ে প্রাণ রায় বলেন, ‘শাহনেওয়াজ কাকলী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। কোনো শিল্পী বা নির্মাতা বা অভিনয়ের জগতের যে কেউ যখন জাতীয় পুরস্কার পায় তখন তিনি জাতীয় সম্পদ। এক্ষেত্রে তো সরকারের এগিয়ে আসা উচিত।’

অন্যদিকে, শাহনেওয়াজ কাকলী সবশেষ একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। 

‘ফ্রম বাংলাদেশ’ নামের এই সিনেমার দশ ভাগ কাজ আটকে আছে অর্থের জন্য।

 

প্রাণ রায় বলেন, ‘সবার ভালোবাসা ও আশীর্বাদ চাই। কাকলী যেন আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠেন।’

শাহনেওয়াজ কাকলী ‘উত্তরের সুর’ সিনেমা পরিচালনা করে কাহিনীকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তার পরিচালিত ‘নদীজন’ সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তমা মির্জা। ‘উত্তরের সুর’ এবং ‘নদীজন’ ব্যাপকভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শকদের মাঝে। আরও বেশ কিছু ভালো কাজ তিনি উপহার দিয়েছেন।

 

Latest stories