34 C
Dhaka
Tuesday, April 21, 2026
Homeখেলাউইকেটে কোনো দৈত্য-দানব ছিল না: গম্ভীর

উইকেটে কোনো দৈত্য-দানব ছিল না: গম্ভীর

Date:

Related stories

সংকটকে যারা কাজে লাগাতে চায় তারা দেশের শত্রু: মির্জা ফখরুল

দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও নিউ এজ সম্পাদক...

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি...

মোবাইল সাংবাদিকতা নাকি ডিজিটাল হয়রানি?

সাংবাদিকতার কাজ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা; অন্যায়, বৈষম্য, জবাবদিহিহীনতা সামনে...

মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা অপারেটরদের

দেশের মোবাইল অপারেটররা সতর্ক করেছে, ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি...

রোজা ঘিরে নিত্যপণ্যের বাজার চড়া

রমজান আসার আগেই এক সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বিশেষ...

লক্ষ্য মাত্র ১২৪ রানের। ইডেন গার্ডেন্সের উইকেটে প্রথম থেকেই খাবি খেতে থাকা ব্যাটারদের জন্য অবশ্য কাজটা সহজ ছিল না। হলোও তাই, দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য পাতা স্পিন ফাঁদে নিজেরাই আটকে গেল ভারত। অসমান বাউন্স ও টার্নের কোনো জবাব খুঁজে না পেয়ে ধসে পড়ে হারল তারা। তবে দলটির কোচ গৌতম গম্ভীর বললেন, এমন উইকেটই তারা চেয়েছিলেন।

রোববার কলকাতা টেস্টের রোমাঞ্চ ছড়ানো তৃতীয় দিনে নাটকীয় লড়াইয়ে স্বাগতিকদের ৩০ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৫ বছর পর ভারতের মাটিতে জয়ের স্বাদ নিয়েছে টেস্টের বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার অতিমানবীয় অপরাজিত ফিফটিতে প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংস থামে ১৫৩ রানে। এরপর সাইমন হার্মারের ঘূর্ণি জাদুতে ৩৫ ওভারে ভারত গুটিয়ে যায় স্রেফ ৯৩ রানে। কাঁধে চোট পেয়ে আগের দিন হাসপাতালে যাওয়া দলটির অধিনায়ক শুবমান গিল আর নামতে পারেননি ব্যাটিংয়ে।

সমর্থক থেকে শুরু করে ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা প্রশ্ন তুলেছেন উইকেটের আচরণ নিয়ে। লো স্কোরিং ম্যাচ হওয়ায় পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জির সমালচনায় মুখর অনেকে। তবে বাজেভাবে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে গম্ভীর জানান, তাদের চাহিদা অনুসারেই উইকেট বানানো হয়েছিল, ‘উইকেটে কোনো দৈত্য-দানব ছিল না। এটা খেলার জন্য অসম্ভব কোনো উইকেট ছিল না।’

পিচ কিউরেটরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘এটা ঠিক সেই ধরনেরই পিচ, যা আমরা চেয়েছিলাম। যেমনটা আমি আগেই বলেছি, কিউরেটর আমাদের প্রতি খুবই সহায়ক ছিলেন। আমরা যা চেয়েছি, ঠিক সেটাই পেয়েছি। এখন আপনি যদি ভালো খেলতে না পারেন, তাহলে এমনটাই ঘটবে।’

ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র চার ব্যাটার পৌঁছাতে পারেন দুই অঙ্কে। তাদের দায় দিয়ে দলটির প্রধান কোচ বলেন, ‘আমি এখনও বিশ্বাস করি, উইকেট যেমনই হোক না কেন, ১২৩ রান তাড়া করা সম্ভব ছিল। আর আমার মনে হয়েছে, যদি কেউ মাথা নিচু করে ধৈর্য নিয়ে খেলতে পারে, মজবুত ডিফেন্স থাকে, সঠিক মানসিকতা থাকে— তাহলে অবশ্যই রান করা যায়। হ্যাঁ, এটা হয়তো এমন ধরনের উইকেট ছিল না, যেখানে আপনি বড় বড় শট খেলতে পারবেন বা খুব ঝলমলে ব্যাটিং করতে পারবেন।’

গিল মাঠে না থাকায় অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার রিশভ পান্ত বলেছেন, চাপের মুখে ভেঙে পড়েছে ভারত, ‘আমাদের উচিত ছিল লক্ষ্য তাড়া করা। আমাদের দ্বিতীয় ইনিংস চলাকালীন চাপ ক্রমাগত বেড়েছে।’

জয়ের সুবাস নিয়ে ভারত দিনের খেলা শুরু করলেও ভরপুর গ্যালারির সামনে তাদেরকে স্তব্ধ করে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট হাতে স্মরণীয় পারফম্যান্সে বাভুমা চারটি চারের সাহায্যে অপরাজিত থাকেন ১৩৬ বলে ৫৫ রানে। তার দেওয়া লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে বল হাতে জ্বলে ওঠা অফ স্পিনার হার্মার ২১ রানে শিকার করেন ৪ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কারও যায় তার ঝুলিতে।

Latest stories