28 C
Dhaka
Friday, April 10, 2026
Homeপ্রযুক্তিএবার অস্ট্রিয়াতেও শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ সামাজিকমাধ্যম

এবার অস্ট্রিয়াতেও শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ সামাজিকমাধ্যম

Date:

Related stories

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি সই সোমবার: বাণিজ্য উপদেষ্টা

আগামীকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বাণিজ্য চুক্তি সই...

দেশ-বিদেশের ২৪৬ সিনেমা নিয়ে শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

৭০টির বেশি দেশের ২৪৬টি সিনেমা নিয়ে আগামী ১০ জানুয়ারি...

দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত অন্তত ৯

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের কাছে একটি পানশালায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে...

‘সরকার ও পুলিশ দিয়ে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকার...

কীভাবে ভারতের দুর্বলতা কাজে লাগাবে বাংলাদেশ, জানালেন শমিত

বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত চারটি ম্যাচ খেললেও জয়ের দেখা...

চার মাসেরও কম সময় আগে অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিকমাধ্যম নিষিদ্ধ করা হয়। এবার একই ধরনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া।

অস্ট্রিয়া সরকার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, চলতি বছরের জুনের মধ্যে একটি বিল চালু করা হবে। যেখানে ১৪ বছরের নিচের শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সামাজিকমাধ্যমের জন্য ১৪ বছরের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ কেবল বিলের একটি অংশ। বিলের অন্য অংশে স্কুলে মিডিয়া লিটারেসি শিক্ষা চালু করার কথাও আছে। যেন শিশুরা ‘মিথ্যা তথ্য’ শনাক্ত করতে শেখে।

অস্ট্রিয়ান সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগ নেওয়ার কারণ হলো সাইবারবুলিং, আসক্তি, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ইত্যাদি সামাজিকমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া।

বিলটি প্রবর্তিত হলে বয়স যাচাই প্রক্রিয়ায় ডেটা প্রাইভেসি সংক্রান্ত বিষয়গুলোও নিশ্চিত করা হবে, যেন ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত থাকে।

প্রযুক্তি সাময়িকী ম্যাশেবলের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। কিছু সিনেটর বছরের শুরুতে ১৩ বছরের নিচের শিশুদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের প্রস্তাব করেছেন।

ম্যাশেবল বলছে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে মেটা ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে দুটি মামলায় প্রমাণিত হয়েছে যে, সামাজিকমাধ্যমগুলো কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই রায়ের পর দেখা যাবে, আমেরিকান আইনপ্রণেতারা তাদের বয়স সীমা সংক্রান্ত প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নেন।

Latest stories