32 C
Dhaka
Saturday, April 18, 2026
Homeবাণিজ্যচট্টগ্রাম বন্দর সচল আছে: বন্দর চেয়ারম্যান

চট্টগ্রাম বন্দর সচল আছে: বন্দর চেয়ারম্যান

Date:

Related stories

সাংবাদিকের বয়ানে মুজিবনগর সরকারের শপথ

একটি অনুষ্ঠান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, কঠোর গোপনীয়তা। রোমাঞ্চকর উত্তেজনা...

এত সুর আর এত গান: সুধীন দাশগুপ্তের বৈচিত্র্যময় সংগীতযাত্রা

সুধীন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত—এই নামটি বললে হয়তো অনেকেই চিনবেন না। কিন্তু...

আরব বসন্ত: মধ্যপ্রাচ্যের শাসকরা এখনো আতঙ্কে কেন?

ডিসেম্বর ১৭, ২০১০। স্থান: সিদি বোজিদ। উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্যসাগর-ঘেঁষা...

জিগাতলা থেকে এনসিপি নেতার মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগ থানার জিগাতলা এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির...

বাংলাদেশের গ্রুপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী 'এ' গ্রুপে জায়গা পেয়েছে...

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান দাবি করেছেন, বন্দরের কার্যক্রম সচল আছে।

তিনি জানান, কেউ বন্দরের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন তিনি।

এর আগে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ দেওয়ার প্রতিবাদে বন্দরের কর্মচারী ও শ্রমিকরা আজ সকাল ৮টা থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেন।

বন্দর ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, জিসিবি টার্মিনালে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং বন্ধ আছে, অন্যদিকে চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) এবং নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) কাজ ধীর গতিতে চলেছে।

বেসরকারি জাহাজ হ্যান্ডলিং অপারেটররা বলছেন, বন্দরের বর্হিনোঙরে ৮০টি বড় জাহাজের কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যাহত হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান জানান, তিনি সকালে দুই ঘণ্টা ধরে বন্দরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের পর সবাই কাজে যোগ দিচ্ছেন। কেউ যদি কর্মচারীদের কাজে যোগ দিতে বাধা দেয়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেছেন, এনসিটির চুক্তি নিয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে দর কষাকষি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। চুক্তি সই না হওয়ার আগে আপনি বলতে পারেন না কী চুক্তি হচ্ছে।

তিনি জানান, এ নিয়ে নানা রকমের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

চুক্তি সই করার আগে, কিছু কর্মচারী ধর্মঘটের পথ বেছে নিয়েছে, গুজব ছড়িয়েছে এবং বন্দর ও জনগণকে জিম্মি করেছে বলেন তিনি।

চেয়ারম্যান এটিকে চুক্তি প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দেশের, জনগণের, ভবিষ্যতের ও বন্দরের স্বার্থে যা করা দরকার, তা করা হবে। 
কবে চুক্তি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই চুক্তি সই হবে।

চেয়ারম্যান আরও বলেছেন, আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী ও কর্মকর্তা। আমাদের রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য থাকতে হবে। বন্দর যে আইনে চলে সেই আইনের প্রতি এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। কেউ যদি বিপথগামী হয়ে অন্য কারো আনুগত্য বেছে নেয় সেটা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

তিনি মন্তব্য করেন, ধর্মঘটকারীরা রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। রমজান আসার আগে এ ধরনের কাজ করে তারা জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে।

Latest stories