27.6 C
Dhaka
Monday, July 13, 2026
Homeবিনোদন‘এলআরবির স্বীকৃতিতেই বেশি আনন্দ পেতেন আইয়ুব বাচ্চু’

‘এলআরবির স্বীকৃতিতেই বেশি আনন্দ পেতেন আইয়ুব বাচ্চু’

Date:

Related stories

ভেনেজুয়েলার পর কি ইরান, আলি খামেনি কি মস্কো পালানোর পরিকল্পনা করছেন

ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। এর...

‘নেতৃত্ব সৎ-গণতান্ত্রিক হলে, দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে কত বড় পরিবর্তন হয় দেখলাম’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,...

‘১০০ টেস্ট খেলতে হলে আমাদের কাউকে সম্ভবত ৫০ বছর খেলতে হবে’

২০১৮ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর ৭ বছরে আয়ারল্যান্ড...

গবেষণায় পাকিস্তানের সহযোগিতা চাইলেন তথ্য উপদেষ্টা

পূর্ব পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের বিভিন্ন আর্থসামাজিক ঘটনাবলি নিয়ে...

ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: নগর শৃঙ্খলায় বড় চ্যালেঞ্জ

ঢাকার সড়ক ব্যবস্থা বহুদিন ধরেই যানজট, অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তাহীনতার...

বাংলা রকসংগীতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু মরণোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন। রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এ বেসামরিক সম্মাননা সংগীতে তার অবদানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

মৃত্যুর আট বছর পর একুশে পদক পাওয়ায় দ্য ডেইলি স্টারে সঙ্গে কথা বলেছেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।

তিনি বলেন, ‘একজন শিল্পীর জন্য এই পুরস্কার প্রাপ্তি বিশাল ব্যাপার। নিজের হাতে সম্মানটা নিতে পারলে আরো ভালো লাগতো। প্রতিটা শিল্পী এটা আশা করেন বেঁচে থাকা অবস্থায় যেন এই পুরস্কার পান। শিল্পীরা নিজের হাতে সম্মানটা নিতে পারলে সবচেয়ে বেশি খুশি হন। তাকে সম্মানিত করার জন্য সরকাররের জড়িত সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত ধারণা আইয়ুব বাচ্চু তার ব্যান্ড এলআরবি পুরস্কার পেলে আরো বেশি আনন্দিত হতেন। যখন সিনেমার গান করেছিলেন। গানগুলো তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল।’

চন্দনা বলেন, ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে নীরবে মনখারাপ করতেন। এইসব বুঝতে পারতাম। একটি পদক একজন শিল্পীকে আরও দুই কদম এগিয়ে দেয়। ওরও এমন আক্ষেপ ছিলো, মাঝে মাঝে এসব নিয়ে বলত। আমরা তার এই একুশে পদক প্রাপ্তিতে অনেক আনন্দিত হয়েছি। তাকে যারা ভালোবাসেন তারাও খুশি হয়েছেন।’

আইয়ুব বাচ্চু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যান। ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের এনায়েত বাজারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

একাধারে গায়ক, লিড গিটারিস্ট, গীতিকার ও সুরকার হিসেবে বাংলা ব্যান্ডসংগীতে তিনি ছিলেন এক অনন্য নাম। তার প্রথম গান প্রকাশিত হয় ‘হারানো বিকেলের গল্প’ শিরোনামে, যার কথা লিখেছিলেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী।

১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’। এর আগে ১৯৭৮ সালে তিনি যোগ দেন ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডে। এরপর ১৯৮০ সালে ‘সোলস’-এর সঙ্গে শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ পথচলা। প্রায় এক দশক তিনি এই ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

 

চলো বদলে যাই, হাসতে দেখো গাইতে দেখো, কেউ সুখী নয়, ফেরারি এই মনটা আমার, একদিন ঘুম ভাঙা শহরে, বাংলাদেশ, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, এখন অনেক রাত, হকার, এই রুপালি গিটার ফেলে, গতকাল রাতে, সেই তারা ভরা রাতে, মেয়ে তুমি কি দুঃখ চেনো, সাড়ে তিন হাত মাটি, উড়াল দেবো আকাশে, কতদিন দেখেনি দু’চোখ, মনে আছে নাকি নাই, কার কাছে যাব, লোকজন কমে গেছে, একটাই মন যখন তখন, এক আকাশের তারা তুই একা গুনিস নে, মন চাইলে মন পাবে, ভাঙা মন নিয়ে তুমি আর কেঁদনা, বেলা শেষে ফিরে এসে।

এছাড়াও চলচ্চিত্রের গানের মধ্যে রয়েছে—অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে, আমি তো প্রেমে পড়িনি, আম্মাজান।

Latest stories