31.8 C
Dhaka
Wednesday, October 7, 2026
Homeআন্তর্জাতিকচিলির দক্ষিণাঞ্চলে দাবানলে মৃত ১৯, জরুরি অবস্থা জারি

চিলির দক্ষিণাঞ্চলে দাবানলে মৃত ১৯, জরুরি অবস্থা জারি

Date:

Related stories

জিরোনায় হোঁচট খেয়ে শীর্ষস্থান হারাল রিয়াল

লা লিগায় টানা ব্যর্থতার ধারায় আরও একবার ধাক্কা খেলো...

নারী নির্যাতন মামলায় মামুনুর রশিদ কাসেমী গ্রেপ্তার

শরীয়াহ-ভিত্তিক নিকাহ (বিবাহ) কনসালটেন্ট প্ল্যাটফর্ম 'আইডিয়াল ম্যারেজ ব্যুরো'র প্রতিষ্ঠাতা...

‘সুপার ইন্টেলিজেন্স ফোর্স’ কী, কেন গঠন করলেন ট্রাম্প?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার তদারকিতে নতুন...

ঋণের মূল অর্থ পরিশোধ করেই পার পাবেন খেলাপিরা

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে ও ব্যাংকগুলোর...

পাগলের চরিত্র থেকে বের হতে সময় লেগেছে: কেয়া পায়েল

বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম দর্শকপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।...

লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির দক্ষিণাঞ্চলকে গ্রাস করছে অনিয়ন্ত্রিত দাবানল। একের পর এক জনবসতি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে ১৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

আজ সোমবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি। 

দুই দিন ধরে জ্বলছে আগুন। ইতোমধ্যে ৫০ হাজার মানুষ নিজ বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত নুবলে ও বিওবিও অঞ্চলে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবল বাতাস ও উষ্ণ আবহাওয়া আগুনের তীব্রতা বাড়িয়েছে। 

পেনকো শহরের বাসিন্দা মাতিয়াস সিদ (২৫) এএফপিকে বলেন, ‘ভোর আড়াইটায় টের পাই, আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। শহরের সব বাড়ি একের পর এক আগুনে পুড়তে লাগল।’

‘আর ২০ মিনিট সেখানে থাকলে আমাদের জ্যান্ত পুড়ে মরতে হোত’, যোগ করেন তিনি।

মৃতদের বেশিরভাগই পেনকো শহরের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছেন মেয়র রদ্রিগো ভেরা।

পার্শ্ববর্তী বন্দর নগরী লিরকেন-এর বাসিন্দা ২০ হাজার। সেখানেও ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায়। বাসিন্দারা বলেন, ‘কয়েক সেকেন্ডের’ মধ্যেই আগুনে সব পুড়ে যায়।

আলেহান্দ্রো আরেদন্দো (৫৭) এএফপিকে বলেন, ‘আমরা দৌড়ে সাগর সৈকতের দিকে পালিয়ে যেয়ে প্রাণে বেঁচে যাই।’

চিলির প্রেসিডেন্ট গাব্রিয়েল বরিক নুবলে ও বিওবিও অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।

সেখানে দমকলবাহিনীর প্রায় চার হাজার মানুষ দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।

‘জরুরি অবস্থা’ জারির অর্থ হলো প্রয়োজনে বেসামরিক কর্মীদের পাশাপাশি আগুন ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীও মাঠে নামতে পারবে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিচালক অ্যালিসিয়া সেব্রিয়ান জানান, বিওবিও অঞ্চলের পেনকো ও লিরকেন শহরের ৬০ হাজার বাসিন্দার বেশিরভাগকেই নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

দমকলকর্মীদের জন্য খারাপ খবর দিয়েছেন বিওবিও বনরক্ষা দপ্তর প্রধান এস্তেবান ক্রাউস।

আগামী দিনগুলোতে আরও উচ্চ তাপমাত্রা ও প্রবল বাতাসের পূর্বাভাষ দেন তিনি।

Latest stories